দর কমার শীর্ষ তালিকায় শেফার্ড ইন্ডাস্ট্রিজ

বস্ত্র খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানি শেফার্ড ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির শেয়ার দর গত সপ্তাহের পাঁচ কার্যদিবসে ৪ দশমিক ৭১ শতাংশ কমেছে।

বস্ত্র খাতের তালিকাভুক্ত কোম্পানি শেফার্ড ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির শেয়ার দর গত সপ্তাহের পাঁচ কার্যদিবসে ৪ দশমিক ৭১ শতাংশ কমেছে। এতে কোম্পানিটি ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সাপ্তাহিক দর কমার শীর্ষ তালিকায় উঠে এসেছে। গত সপ্তাহ শেষে কোম্পানিটির সমাপনী শেয়ারদর দাঁড়িয়েছে ১৯ টাকা ১০ পয়সায়, এর আগের সপ্তাহ শেষে যা ছিল ১৮ টাকা ২০ পয়সা। স্টক এক্সচেঞ্জ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে (জুলাই-মার্চ) শেফার্ড ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৪৭ পয়সা। এর আগের হিসাব বছরের একই সময় শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছিল ১ টাকা ১৮ পয়সা। গত ৩১ মার্চ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ১৩ টাকা ৮৩ পয়সায়।

৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরে উদ্যোক্তা ও পরিচালক বাদে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্য ১ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ সুপারিশ করেছে কোম্পানির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১ টাকা ৫১ পয়সা। গত বছরের ৩০ জুন শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস ছিল ১৩ টাকা ৪১ পয়সা।

কোম্পানিটির ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘ট্রিপল বি’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-থ্রি’। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৪ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং ২০২৪ সালের ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য গুণগত তথ্যের ভিত্তিতে এ মূল্যায়ন করেছে আলফা ক্রেডিট রেটিং লিমিটেড।

২০১৭ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত শেফার্ড ইন্ডাস্ট্রিজের অনুমোদিত মূলধন ১৯০ কোটি টাকা। পরিশোধিত মূলধন ১৫৪ কোটি ৪ লাখ ৬০ হাজার টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৫২ কোটি ৪৯ লাখ টাকা। কোম্পানিটির মোট শেয়ার সংখ্যা ১৫ কোটি ৪০ লাখ ৪৬ হাজার ৪৭৩টি। এর মধ্যে উদ্যোক্তা পরিচালকদের হাতে রয়েছে ৫১ দশমিক ৪৮ শতাংশ শেয়ার। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২৫ দশমিক ৩৭, বিদেশী বিনিয়োগকারীদের কাছে ৬ দশমিক ৪৩ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ১৬ দশমিক ৭২ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।

ডিএসইতে গত এক বছরে শেফার্ড ইন্ডাস্ট্রিজের শেয়ারের সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ দর ছিল যথাক্রমে ১২ টাকা ৩০ পয়সা ও ১৯ টাকা ৪০ পয়সা।

আরও